বিশেষ সংবাদদাতা
ডাগআউটে নতুন কোচ অস্কার ব্রুজনের মন্ত্র, মাঠে খেলোয়াড়দের প্রাণপণ লড়াই আর মাঠের বাইরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন মিলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দেখা মিলেছিল নতুন এক বাংলাদেশের।
প্রথম দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট, টেবিলে অবস্থান ভারতের ওপরে-এই সবকিছু মালদ্বীপে বাংলাদেশকে পরিণত করেছিল আলোচিত এক দলে। তৃতীয় ম্যাচে সেই দলটির প্রয়োজন ছিল মালদ্বীপকে হারানো। পারলে ফাইনালমঞ্চে এক পা দিয়ে রাখতেন জামাল ভূঁইয়ারা।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের কাছে মালদ্বীপ অজেয় এক দল। এক সময় যে মালদ্বীপকে গুনেগুনে গোল দিতো বাংলাদেশ, এখন সেই মালদ্বীপ মাঠে নামে ফেভারিটের তকমা নিয়ে।
বৃহস্পতিবার মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামেও ছিল তাই। কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা, কার্ড সমস্যায় জর্জরিত দল, গ্যালারিতে লাল-ঢেউয়ের (লাল জার্সি পরা মালদ্বীপের সমর্থক) গর্জন। মাঠেও কোন ঠাসা হয়ে পড়েছিলেন জামালরা।
দাঁতেদাঁত চেপে প্রথমার্ধ কাটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। জিততে না পাররেও হারা যাবে না-বাংলাদেশের মনের লক্ষ্য ছিল এটাই। কিন্তু স্বাগতিকদের প্রথমার্ধ আটকিয়ে রাখা গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হারতেই হয়েছে। যে হারে ১৬ বছর পর ফাইনালে ওঠার স্বপ্নে একটা ধাক্কাই খেলো লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।
বাংলাদেশ স্কোয়াড: আনিসুর রহমান জিকো, তপু বর্মন, তারিক কাজী, রহমত মিয়া (জুয়েল রানা), ইয়াসিন আরাফাত, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, বিপলু আহমেদ (সুমন রেজা), মোহাম্মদ ইব্রাহিম (সুফিল), সাদ উদ্দিন ও মতিন মিয়া।

























