অপপ্রচার নয় ধন্যবাদ জানানোর আহবান জানিয়েছে কেএসআর

0
26

অপপ্রচারের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ কেএসআর) – বাংলাদেশ অফিস। সম্প্রতি কয়েকটি নিউজপোর্টালে প্রকাশিত একটি খবরের অংশবিশেষে এই সংস্থাকে জড়ানোয় গতকাল এক মিট দ্যা প্রেসে এই আহবান জানানো হয়।

রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত ওই মিট দ্যা প্রেসে সংস্থার পক্ষ থেকে গণসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ মুফিজুর রহমান সুজন এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, কেএসআর মনে করে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতীম দাতাদেশ কুয়েতের সাথে এদেশের বন্ধুত্বকে ক্ষতিগ্রস্থ করে এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাদের সহযোগিতার ধারা বাধাগ্রস্থ করার হীন উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ মহল মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এই সংস্থার কার্যক্রমে লাখ লাখ উপকারভোগীর ন্যায় সকলের উচিত ধন্যবাদ জানানো। তিনি এহেন অপপ্রচারের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, গত সম্প্রতি ইনকিলাব, ঢাকাপোস্ট, জাগো নিউজ, শীর্ষ নিউজ ও এটিএন বাংলাসহ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘মনিরুল সিন্ডিকেটের হিসাবে হাজার কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণ!’ শিরোনামে একটি একই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করেছে। সংবাদের একাংশে জনৈক রেজাউল আলম শাহীন কর্তৃক কেএসআর এর অনুদান আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি একেবারে ডাহা মিথ্যা, বানোয়ট ও কাল্পনিক। বিষয়টিকে কেএসআর‘ কর্তপক্ষ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

তিনি বলেন, কেএসআর এর যাবতীয় কর্যক্রম কুয়েতে অবস্থিত এর সদর দপ্তরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রত্যক্ষ নির্দেশনা অনুসরণে এদেশের দারিদ্র্য পীড়িত মানুষের কল্যাণে সরকারের পরিপূরক হিসেবে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। সংস্থার সকল প্রকার আর্থিক লেনদেন এনজিও ব্যুরোর বিধি মোতাবেক ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদিত হয় এবং তা সরকার অনুমোদিত অডিট ফার্মের মাধ্যমে নিয়মিত অডিট হয়। অডিট রিপোর্ট এনজিও ব্যুরো কর্তৃক সুক্ষèভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষান্তে গৃহীত হলেই পরবর্তী সময়ের অর্থ ছাড়ের অনুমোদন দেয়া হয়। পাশাপাশি কুয়েত থেকে প্রাপ্ত অনুদানের অর্থ ঢাকাস্থ কুয়েত দূতাবাসের মাধ্যমে সংস্থার মাদার এ্যাকাউন্টে জমা হয় বিধায়, দূতাবাস এ সংস্থার যাবতীয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকে। সুতরাং এখানে কোন প্রকার অনিয়ম বা অস্বচ্ছ লেনদেনের সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, সংস্থার সব ধরণের সেবা কার্যক্রম একাধিক প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টারের মাধ্যমে অফিসের প্রত্যক্ষ তদারকীতে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। তাদেরই একজন সাধারণ ইমপ্লিমেন্টার হিসেবে রেজাউল আলম শাহিন যথাযথ নিয়ম মেনে কেএসআর‘র অর্থায়নে ‘রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা ও অস্থায়ী শেল্টার নির্মাণ প্রকল্পসহ কয়েকটি সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন এবং যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিধি মোতাবেক কাজের বিপরীতে তার প্রাপ্য বিল গ্রহণ করেছেন মাত্র। এর বাইরে শাহিনের কারও সাথে সংস্থার দূরতম কোন সম্পৃক্ততা নেই, অতীতেও কোন সম্পৃক্ততা ছিল না এবং বর্তমানেও নেই।

তিনি আরো বলেন, কেএসআর মনে করে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতীম দাতাদেশ কুয়েতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে ক্ষতিগ্রস্থ করে এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাদের সহযোগিতার ধারা বাধাগ্রস্থ করার হীন উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ মহল এসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, এই সংস্থার কর্যক্রমে লাখ লাখ মানুষের উপকৃত হওয়ার দৃশ্য তাদের নজরে আসছে না। কেএসআর ওই মহলের এহেন অপপ্রচারের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here